আগের চেয়ে বেশী মার্জিনে ঝাড়গ্রামে জয়লাভ করবে বিজেপি, দাবী শুভেন্দুর

দ্য কোয়ারি ওয়েবডেস্কঃ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বেশীদিন হয়নি। এরই মধ্যে প্রাক্তন দলকে নিশানা করে একাধিক মন্তব্য করে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেছেন বিজেপির মার্জিন বাড়াতে। একুশে বিজেপি ক্ষমতায় আসবেই, সাফ বার্তা বিজেপির নব্য সদ্যস্যের।

এর আগেও ঝাড়গ্রামের দলীয় কার্যালয়ের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছিলেন জেলা পরিষদের নির্বাচনে এগিয়ে ছিল বিজেপি। রাতে তৃণমূলের কারচুপিতে আসনগুলি দখল হয়ে যায়।

রবিবার ঝাড়্গ্রামের লোধাশুলিতে যোগদান কর্মসুচীর সভা থেকেও একই কথা বললেন শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, দিলীপ ঘোষের নির্দেশেই গিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, গোপিবল্লভপুরের দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কাঁথির শুভেন্দু অধিকারী হাত মিলিয়েছে।

এবার ঝাড়্গ্রাম থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে গেরুয়া শিবির। বিনপুর, নয়াগ্রাম, ঝাড়্গ্রাম, গোপিবল্লভপুর প্রত্যেকটি আসনেই বিজেপি বড়ো মার্জিনের জয়লাভ করবেন বলে দাবী করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ মার্চ মাসের মধ্যে রাজ্যে সাংবিধানিক সংকট দেবে, ২৬-২৭ জন বিধায়ক বিজেপিতে আসছেন- দাবী অর্জুনের

একইসঙ্গে রাজ্যের বেকারত্ব, দুর্দশা নিয়েও শাসক দলকে কটাক্ষ করতে পিছপা হননি। কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের নাম বদল করে চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। বাংলার উন্নয়নের জন্য দিল্লি এবং কলকাতায় একই সরকার গঠনের দাবী তুলেছেন তিনি।

এরপরেই বলেন, দেড় জনের পার্টিকে সরিয়ে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতেই হবে। তোলাবাজ ভাইপোর পার্টিকে হারাতেই হবে।

শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগের পরেই তৃণমূলের তরফে অভিযোগ তোলা হয় বিজেপির সঙ্গে ডিল করেছেন শুভেন্দু। পাল্টা জবাবে শুভেন্দু বলেন, বিজেপির সঙ্গে ডিল হয়েছে প্রতি বছর এসএসসি করতে হবে। বেকারত্বের সমস্যা দুর করতে হবে।

একইসঙ্গে চাকরীর সঙ্গে স্বজনপোষণ নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। এমনকি বালি পাচার, পাথর পাচার থেকে শুরু করে একাধিক বিষয় নিয়ে তৃণমূলের বিরোধিতা করতে বিন্দুমাত্র পিছপা হননি তিনি।

সব মিলিয়ে ১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে ঝাড়্গ্রামে যে গেরুয়া ঝড় বয়েছিল, তা অব্যহত রাখতেই অঙ্গিকারবদ্ধ শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি নেতৃত্ব। তবে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি আসায় ঝাড়্গ্রামে বিজেপির মার্জিন বাড়বে বলে মনে করছে পদ্ম শিবির।

Exit mobile version