New WB finance circular: শিক্ষক -অশিক্ষক কর্মীদের বেতন সংক্রান্ত সব নথি মিলবে অনলাইনেই, নতুন বিজ্ঞপ্তি অর্থ দপ্তরের

দ্য কোয়ারি ওয়েবডেস্ক: সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের জন্য ভালো খবর। বেতন সংক্রান্ত সব নথি এবার পাওয়া যাবে অনলাইনে। অর্থ দফতর থেকে এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে ।

 

CM Mamata Banerjee: “বিজেপির বিরুদ্ধে একত্র হন”,মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি অবিজেপি রাজ্যে

 স্কুল শিক্ষা দফতরের যুগ্ম অধিকর্তা দেবাশিস সরকারের মতে ,খুব শীঘ্রই অর্থাৎ এপ্রিল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলগুলির শিক্ষক-শিক্ষিকা কিংবা অশিক্ষক কর্মীদের নতুন ব্যবস্থায় বেতন দেওয়া সম্ভব বলে তিনি আশা করছেন। এই ব্যবস্থায় বছরের বেতন স্টেটমেন্ট, কে বছরে কত বেতন পান, প্রভিডেন্ট ফান্ডে কত টাকা রয়েছে, তার সুদ কত সবই জানতে পারবেন অনলাইনে।

প্রত্যেক কর্মীদের আলাদা ‘ইউজার আইডি’, ‘ পাসওয়ার্ড’ দেওয়া হবে এমনকী স্কুলের বিশদ তথ্য অনলাইনে শিক্ষা দফতরে জানানোর ব্যবস্থা চালু হবে  এছাড়া শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে বহুদিন ধরেই ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থায় শিক্ষাকর্মী শিক্ষক-শিক্ষিকা কিংবা অশিক্ষক কর্মীদের বেতন এবং স্কুলের কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হচ্ছিল সেজন্য ‘কম্পিউটারাইজেশন অফ স্যালারি’ একাউন্টস (COSA) পদ্ধতি ব্যবহারের চেষ্টা হয় তাতে কিছু সমস্যা দেখা দেয় যেমন একটি বিশেষ কম্পিউটার থেকে 40/50 জনের বেতনের হিসাব রাখা বা কিছু কাজ করা সম্ভব হলেও রাজ্যের  প্রতিটা স্কুলের বিষয়টি অনলাইনে পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছিল।

এই সমস্যা কাটাতে শিক্ষা দপ্তর সফট্ওয়্যারে কিছু পরিবর্তন করেন এবং ‘অনলাইন স্যালারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (OSMS) গড়ে তোলেন। এই  প্রক্রিয়ায়  জড়িত কিছু শিক্ষক জানান 2011 সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে উত্তর 24 পরগনার কিছু স্কুলে এ সফটওয়্যারটি পরীক্ষা করার জন্য চালু করা হয়,ভালো ফল পাওয়া যায়।

শিক্ষা দপ্তর কেন্দ্রীয় সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইনফরম্যাটিক্স সেন্টার’ -এর সাহায্য নিয়ে সফটওয়্যারটিকে সব স্কুল এই জন্য উপযোগী করে তোলে।দক্ষিণ 24 পরগনা, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর, হুগলি, নদীয়া, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি শিলিগুড়ি, মুর্শিদাবাদ জেলায় পদ্ধতিতে বেতন প্রক্রিয়া চালু হয়েছে  তবে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের এখনো পর্যন্ত ইউজার আইডি পাসওয়ার্ড দেওয়া হয়নি।

যেহেতু দীর্ঘদিনের দাবি ছিল সেই জন্য সমস্ত শিক্ষক সেই দাবি মানা হয়েছে বলে খুবই আনন্দিত। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত যেসব শিক্ষা  প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর বেতন  অর্থ দফতরের এইচআরএমএস(HRMS) ব্যবস্থার মাধ্যমে দেওয়া হয় তারা এই সুযোগ পাবেন। সরকারি কর্মীদের বেতন একই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেওয়া হয়।

সরকারি কর্মীরা নির্দিষ্ট পোর্টালে লগইন করে তাঁর পে স্লিপ, আয়কর নথি, ছুটি এবং পিএফের তথ্য পেয়ে যান। ২০১৬ সাল থেকে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে।  শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরাও এই সুযোগ চালু করার দাবি জানিয়েছিলেন।

সেই দাবি মেনেই এই পদক্ষেপ বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের মধ্যে এই দাবী নিয়ে অনেক  প্রশ্ন যদিও ছিল তবে অর্থ দপ্তরের এই সিদ্ধান্তে তারা খুশি।

সম্পর্কিত পোস্ট