The Quiry : কোনও সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মানেই লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক-যুবতী চাকরি পাওয়ার আশায় ফর্ম ফিল আপ করেন। এর জেরে পরীক্ষার আয়োজকদের ঘরে জমা পড়ে কোটি কোটি টাকা। সেই পরীক্ষার ফলপ্রকাশ হয়ে যে নিয়োগ হবে এ রকম নিশ্চয়তা সব সময় থাকে না। TET তো হচ্ছে ! নিয়োগ কোথায় ? বেকারদের টাকা লুটে পর্ষদের কোষাগারে লক্ষ্মীলাভ ?
এ বছর টেট পরীক্ষার ফর্মের দাম ছিল ৫০০ টাকা। পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লক্ষ ৯ হাজার। ২০২৩ সালে টেটর ফর্মের বাবদ ১৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে পর্ষদে। যদিও এর মধ্যে এসসি, এসটি পরীক্ষার্থীরাও রয়েছেন। তাঁদের ফি সাধারণ পরীক্ষার্থীদের থেকে কম। কিন্তু এই হিসাবে সাধারণ আবেদনকারীদের জমা দেওয়া ফির উপর হিসাবে করা হয়েছে। তাই এই অঙ্কের থেকে বাস্তবের অঙ্ক কিছুটা কম হবে।
এ নিয়ে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “টেট পরীক্ষা তো এখন বাৎসরিক প্রহসন দিবস। ভাল পরীক্ষা দিয়েও দেখলেন আপনার চাকরি হল না। পাশের বাড়ির তৃণমূল নেতার থার্ড ডিভিশনে পাশ করা ছেলে চাকরি পেল।” যদিও এই সব অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, “রাজ্য সরকার নিয়োগের চেষ্টা করছে। কিন্তু মামলা-মোকদ্দমা করে আটকে দিয়েছেন। মামলা করে চাকরি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বিরোধীরা।”
TET তো হচ্ছে ! নিয়োগ কোথায় ? বেকারদের টাকা লুটে পর্ষদের কোষাগারে লক্ষ্মীলাভ ?
আরও খবর- Bande Bharat : রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনে আরও ৬ টি বন্দে ভারতের সূচনা
২০১৪ সালে টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া অনেক প্রার্থীই এখনও পাননি চাকরি। ২০১৭ সালে টেট উত্তীর্ণ একজনও চাকরি পাননি। এরপর রাজ্যে আয়োজিত হয়েছে বেশ কয়েকটি টেট পরীক্ষা। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসেই হয়েছিল টেট পরীক্ষা। ৬ লক্ষ ৯০ হাজার পরীক্ষার্থী বসেছিলেন টেট পরীক্ষায়। সেই পরীক্ষায় ফর্মের দাম ছিল ১৫০ টাকা। যদিও এর শূন্যপদ এখনও বেরোয়নি। ২০২২ সালে টেট পরীক্ষা বাবদ পর্ষদের কোষাগারে জমা পড়ে ১০ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা।
